Showing posts with label EAST BARDHAMAN. Show all posts
Showing posts with label EAST BARDHAMAN. Show all posts

Monday, 18 June 2018

কঙ্কালেশ্বরী কালীমন্দির (KANKALESWARI KALI TEMPLE)

কঙ্কালেশ্বরী কালীমন্দির, কাঞ্চননগর
কঙ্কালেশ্বরী কালীমন্দির বর্ধমান শহরের কাঞ্চননগর নামক স্থানে অবস্থিত একটি বিখ্যাত এবং প্রাচীন কালী মন্দির। এই কাঞ্চননগর বিখ্যাত ছুরি-কাচিঁর জন্য। এছাড়াও ঐতিহাসিক মতে, প্রাচীন গৌড় বঙ্গে, কাঞ্চন নগর ছিল গৌড় অধিপতি শশাঙ্কর প্রধান কার্যালয়।
যাইহোক এবার আশা যাক কঙ্কালেশ্বরী কালী বিগ্ৰহ ও মন্দির সম্পর্কে।
শোনা যায়, ১৯১৩ বা ১৯২৩ খ্রিষ্টাব্দে (মতপার্থক্য আছে) দামোদর নদের বন্যা বর্ধমান শহরের এই অঞ্চলকে পুরো ভাসিয়ে দিয়েছিল। বন্যার জল নামার পর দামোদরের গর্ভ থেকে উদ্ধার হয়েছিল কষ্ঠিপাথরের এই দেবীমূর্তি। কমলানন্দ পরিব্রাজক নামে এক সাধক স্বপ্নাদেশ পেয়ে এই দেবীমূর্তিটি সংগ্রহ করে কাঞ্চননগরের এই মন্দিরে প্রতিষ্ঠা করেন বলে জানা যায়।
এছাড়াও দেবী কঙ্কালেশ্বরী কালীর আবির্ভাব প্রসঙ্গে আরও একটি ঘটনা কথিত আছে।ঘটনাটা এরকম, ১৯১৬ সালে কোন এক বর্ষা দিনে দামোদর নদের বামতীরে খর্গেশ্বর মৌজার বারোদুয়ারি গ্রামে আবির্ভাব হয় অপরূপ এক দেবী মূর্তির। মাটি থেকে উঠে এসেছে এক পাথরের খন্ড। এক পিঠে স্থানীয় বাসীন্দা ও রজক পরিবাররা কাপড় কাচার কাজ করেন। বিস্ময়ে তারা লক্ষ্য করেন অপর পিঠে খোদাই রয়েছে দেবী বিগ্রহ। পরে গ্রামবাসীদের কাছ থেকে বর্ধমানের মহারাজ বিজয়চাঁদ বিষয়টি শুনলেন। মন্দির প্রাঙ্গনের জন্য তিনি এক একর চুয়ান্ন শতক জমিদান করলেন। গড়ে উঠল কঙ্কালেশ্বরী কালীর মন্দির।
আর‌ও শোনা যায়, শ্রীচৈতন্যদেবের দাক্ষিণাত্য ভ্রমণের সঙ্গী ছিলেন গোবিন্দ দাস যার জন্মভিটে এই কাঞ্চননগরেই। তারঁ জন্মভিটের কিছু দূরেই কঙ্কালেশ্বরী কালীমন্দির। এখানে অবস্থিত পঞ্চরত্ন বিষ্ণুমন্দিরেই অধিষ্ঠিত হয়েছে কঙ্কালেশ্বরী কালী।
আরও একটি তথ্য থেকে এই মন্দির সম্পর্কে জানা যায় যে, শান্ত মনোরম পরিবেশ এবং নানান গাছের জটলা ছেড়ে একটু এগোলে এক খেলার মাঠের পাশে ছিল একটি প্রাচীন বিষ্ণু মন্দির। এরকমই এক পরিবেশে ১৯০০ সালে আশ্রম স্হাপন করেছিলেন সাধনমার্গের মানুষ কালীচৈতন্য ভারতী । এই আশ্রম প্রাঙ্গনেই স্থাপিত ছিল একটি নবরত্ন মন্দির(নির্মান কাল ১৪৮৬-১৫৩৩ সাল)। এই নবরত্ম মন্দিরেই প্রতিষ্ঠা করা হয় কঙ্কালেশ্বরী কালী কে।
আশ্চর্যের বিষয় এই যে কঙ্কালেশ্বরী মূর্তিটির বয়স আজ পর্যন্ত নির্ণয় করা সম্ভব হয়নি। মূর্তিটি তিন ফুট চওড়া ও পাঁচ ফুট লম্বা। মূর্তিটি একটি বড় কালো রঙের ব্যাসাল্ট পাথরের ওপরে খোদিত। ঐতিহাসিকদের মতে, এই ধরণের মূর্তি, আর্য্য পূর্ব যুগে নির্মিত হত। মূর্তিটিতে মানুষের কঙ্কাল, স্নায়ুতন্ত্র ইত্যাদি পরিষ্কার ভাবে খোদিত। পুরাতত্ত্ববিদদের মতে, এই মূর্তি বৌদ্ধ বা পাল যুগের। দু হাজার বছরেরও বেশি প্রাচীন। মানব দেহের প্রতিটি শিরা উপশিরা খোদাই করা রয়েছে দেবীমূর্তিতে। মন্দিরের টেরাকোটার কারুকাজও দেখার মতো
কঙ্কালেশ্বরী কালীমন্দির

কঙ্কালেশ্বরী কালীমন্দির

কঙ্কালেশ্বরী কালীমন্দির

কঙ্কালেশ্বরী কালীমন্দির

কঙ্কালেশ্বরী কালীমন্দির

কঙ্কালেশ্বরী কালীমন্দির

কঙ্কালেশ্বরী কালীমূর্তি

সম্ভবতঃ এটিই পঞ্চরত্ন বিষ্ণুমন্দির

বিষ্ণুমন্দির

বিষ্ণুমন্দির

বিষ্ণুমন্দির

বিগ্ৰহ
বিষ্ণুমন্দির 


বিষ্ণুমন্দির

Photography AKC

DATE    : 22.05.2018
PLACE : KANCHANNAGAR, PURBA-BARDHAMAN, WB, INDIA



তথ্য :
১. Elina Datta , News18 Bangla
২. সৌরভ মাজি, sangbadpratidin.in
৩. Shuvro Bhattacharya
৪. Fans of Durga Puja (ফেসবুক পেজ)
৫. Dailyhunt

বর্ধমানেশ্বর শিবমন্দির (BARDDHAMANESWAR SHIVA TEMPLE)

বর্ধমানেশ্বর শিবমন্দির, বর্ধমান
বর্ধমানেশ্বর শিবমন্দির বা মোটা শিব বর্ধমানের অত্যন্ত জনপ্রিয় একটি শিবমন্দির। বর্ধমান জেলায় সব জায়গাতেই শিব পূজিত হন লিঙ্গ প্রতীকে৷ জেলার সবথেকে বড়ো শিবলিঙ্গটি বর্ধমান শহরের আলমগঞ্জে অবস্থিত বর্ধমানেশ্বর শিবমন্দির। তবে একে মোটা শিব ও বলা হয়৷ এই মন্দির খুব প্রাচীন নয়। ১০ ই আগস্ট ১৯৭২ (বাংলার ১৩৭৯ সালের শ্রাবণমাসে) সালে আলমগঞ্জের ভিখারিবাগানে মাটি খুঁড়তে গিয়ে এই শিবলিঙ্গটি আবিস্কৃত হয়। গবেষকদের ধারণা এটি খ্রীঃ ৭ম বা ৮ম শতকের। অথাৎ কুষাণ যুগের। আবার কিছু পন্ডিতের মতে এটি দ্বাদশ শতকের।
এই শিবলিঙ্গটির উচ্চতা ৬ ফুট , ওজন ৯ টন বলে জানা যায়৷ ওড়িশার ভূষণ্ডেশ্বর শিবলিঙ্গের সঙ্গে এই শিবলিঙ্গ টি তুলনীয়।” শোনা যায়, বিশাল আকারের এই শিবলিঙ্গটি না কি চাঁদসদাগরের আরাধ্য গৃহদেবতা৷ প্রতিবছর ২৫ শ্রাবণ বাবা বর্ধমানেশ্বারের আবির্ভাব দিবস উপলক্ষ্যে কাটোয়া থেকে বর্ধমান পবিত্র গঙ্গাজল যাত্রার আয়োজন করা হয়।

বর্ধমানেশ্বর শিবমন্দির

মোটা শিব
Photography AKC

DATE : 22.05.2018
PLACE : BARDHAMAN, WB, INDIA



তথ্য :
১. http://amaderchhuti.com/mag25/story_bardhaman.php…&
২. ক্রমবর্ধমান (ফেসবুক পেজ)
৩. ইন্দিরা মুখোপাধ্যায়
৪. শ্যামসুন্দর বেরা

কমলাকান্ত কালীবাড়ি (KAMALAKANTA KALIBARI)

কমলাকান্ত কালীবাড়ি, বোরহাট
পূর্ব বর্ধমান জেলার বোরহাটের কমলাকান্ত কালীবাড়ি অত্যন্ত জনপ্রিয় একটি কালীমন্দির। বলা হয় বর্ধমানের বোরহাট পরিচিত সাধক কমলাকান্তের সাধনার ক্ষেত্র হিসেবে। এই মন্দিরেই নাকি সিদ্ধিলাভ করেছিলেন তিনি। সাধক কমলাকান্ত ওরফে কমলাকান্ত ভট্টাচার্য (১৭৬৯ - ১৮২১ খ্রিঃ) মহোদয়ের জন্ম পূর্ব বর্ধমান জেলার KHANO পঞ্চায়েত এলাকার GALSI - 2 ব্লকের চান্না গ্রামে। জানা যায়, মহারাজ তেজচাঁদ মহতাব তাঁকে বর্ধমানে নিয়ে আসেন এবং তাঁর উচ্ছৃঙ্খল পুত্র প্রতাপচন্দ্রকে শিক্ষা দীক্ষায় উপযুক্ত করে তোলার দায়িত্ব দেন। এরজন্য মহারাজ লাকুড্ডিতে একটি বাড়ি আর কোটালহাটে একটি মন্দির তৈরি করে দেন। এই মন্দিরেই সাধক কমলাকান্ত কালীমূর্তি প্রতিষ্ঠা করে পঞ্চমুণ্ডীর আসনে সাধনা করে সিদ্ধিলাভ করেছিলেন বলে জানা যায়।
মন্দিরের ইতিহাস জানায়, ১২১৬ বঙ্গাব্দে সাধক কমলাকান্ত এখানে মায়ের পুজো শুরু করেছিলেন। এই সাধকের ইচ্ছা ছিল মৃত্যুর পর‌ও যেন তাঁকে মায়ের চরণতলে রেখে দেওয়া হয়। সেই ইচ্ছা অনুযায়ীই তাঁর সমাধির উপরই প্রতিষ্ঠা করা হয় মায়ের মূর্তি ও মন্দির। সমাধির উপরে দেবীর প্রতিষ্ঠা করে মন্দিরের নজির গোটা ভারতে কমই আছে। এছাড়াও শোনা যায় সাধক কমলাকান্ত নাকি জানিয়েছিলেন মৃত্যুর পর তাঁকে যেন গঙ্গায় না দেওয়া হয়। এবং কথিত আছে মা গঙ্গা নিজেই তাঁর কাছে এসেছিলেন। মাটি ফুঁড়ে গঙ্গাজল বেরিয়েছিল। সেই জায়গাটিতে কুয়ো বাঁধানো হয়। দেবীর পুজো এখানে গঙ্গাজল নয়, ওই কুয়োর জলেই হয়। সাধক কমলাকান্ত কালী মাকে মাগুর মাছের ভোগ খাওয়াতেন। সেই রীতি মেনে আজও এই দেবীকে প্রতি অমাবস্যায় জ্যান্ত মাগুরের ভোগ দেওয়া হয়।
সাধক কমলাকান্তকে নিয়ে অনেক ঘটনা মানুষের মুখে শোনা যায়। এই মন্দিরের মা কালী যে জীবন্ত, তার প্রমাণ নাকি বর্ধমানের মহারাজাকে দিয়েছিলেন কমলাকান্ত। বেলকাঁটা দিয়ে মায়ের পা ফুটিয়ে রক্ত বের করে তিনি মহারাজকে দেখিয়েছিলেন এই দেবী জীবন্ত। ঘোর অমানিশায় বর্ধমানের আকাশে মহারাজকে পূর্ণিমার চাঁদ দর্শন করিয়েছিলেন এই সাধক। এরকম আরো অনেক কাহিনী শোনা যায়।
(সাধক কমলাকান্তের জন্ম ও মৃত্যুর সাল সম্পর্কে এক এক জায়গায় এক‌ এক রকম দেওয়া আছে। কিছু জায়গায় দেখা যায় তার জন্মসাল ১৭৭২ থেকে ১৮২০। আবার কিছু জায়গায় বিশেষত উইকিপিডিয়া তে দেওয়া আছে ১৭৬৯ থেকে ১৮২১। আমি এক্ষেত্রে উইকিপিডিয়ার টাই দিলাম। আর দুপুরে মন্দির বন্ধ থাকার দরুন বিশেষ ছবি তোলা যায়নি।)




এটি মূল বিগ্ৰহ নয় 

Photography AKC

DATE    : 22.05.2018
PLACE : BORHAT, PURBA-BARDHAMAN, WB, INDIA




তথ্য :
১. সৌরভ মাজি - সংবাদ প্রতিদিন
৩. Wikipedia

Tuesday, 5 June 2018

ক্রিস্ট চার্চ, পূর্ব বর্ধমান (CHRIST CHURCH, EAST BARDHAMAN)



ক্রিস্ট চার্চ, পূর্ব বর্ধমান

পূর্ব বর্ধমান জেলাতে অবস্থিত এই গির্জাটি অন্যতম ঐতিহাসিক ও প্রাচীনতম গির্জা। ১৮১৬ সালে ক্যাপ্টেন জেমস স্টুয়ার্টের উদ্যোগে বাসিন্দাদের চাঁদায় তৈরি হয় গির্জাটি। এই গির্জা তৈরিতে বর্ধমানের রাজাদেরও অবদান রয়েছে বলে জানা যায়। ইংরেজ শাসকেরাও গির্জার রক্ষণাবেক্ষণের জন্য বছরে সাড়ে ১২ টাকা আর্থিক অনুদান বরাদ্দ করে। তবে অনেকের দাবি, ১৮৩৬ থেকে ১৮৫২ সালের মধ্যে জার্মান পাদ্রি রেভারেন্ট জেমস্ ওয়াইট ব্রেখটের হাতে গির্জাটি তৈরি হয়।
১৮৯৩ সালের উরসেস্টারের বিশপ জন স্টুয়ার্ট, নরওয়ের আর্চডিকন টমাস টমসন, কেম্ব্রিজের একটি কলেজের শিক্ষক এডওয়ার্ড হেনরি ওই গির্জার ভিতরে একটি বেদী তৈরি করেন।
ক্রিস্ট চার্চ

Photography AKC

DATE : 22.05.2018
PLACE : PURBA-BARDHAMAN, WB, INDIA


তথ্য :
১. আনন্দবাজার পত্রিকা - সোমেন দত্ত - ২৬, ডিসেম্বর,২০১৬
২. Wikipedia
৩. holidayiq

Sevoke & Kalijhora । Top 2 places visit in Siliguri,West Bengal । TRAVEL...

My Fourth YouTube and First Travel Video.....Pls Pls Pls SUBSCRIBE to my channel and hit the BELL icon to stay notified.....Hope you like...

BLOG ITEMS