Showing posts with label BENGALI WRITING. Show all posts
Showing posts with label BENGALI WRITING. Show all posts

Friday, 29 June 2018

চুঁচুড়া ও হুগলি ইমামবাড়া (CHUCHURA AND HOOGHLY IMAMBARA)

চুঁচুড়া ও  হুগলি ইমামবাড়া (CHUCHURA AND HOOGHLY IMAMBARA)

(STORY)

- দ্বিতীয় বা শেষ পর্ব -

আমাদের পরবর্তী গন্তব্যস্থল ছিল ষন্ডেশ্বরতলা। ওলন্দাজ কবরস্থান থেকে বেরিয়ে তিন মাথার মোড়ে এসে এক ভদ্রলোক কে জিজ্ঞেস করলাম যে ষন্ডেশ্বরতলা কী হেঁটে যাওয়া যাবে? উনি বললেন , হেঁটে গেলে অনেকখানি রাস্তা। আপনারা বরং টোটো রিক্সা ধরে যান। ওনার কথামতো আমরা টোটো ধরলাম। টোটো চালক প্রথমে একটু ইতস্তত বোধ করছিল যাওয়া নিয়ে। কার্তিক ঠাকুর বিসর্জন হবে এই কারণে অনেক রাস্তা বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। আমরা কলকাতা থেকে ঘুরতে এসেছি জানতে পেরে তিনি যেতে রাজি হলেন। একটা শর্টকার্ট রাস্তা ধরে ১২ মিনিটের মধ্যে আমাদের মন্দিরের কাছাকাছি নামিয়ে দিলেন। ভাড়া নিলেন ১৫ টাকা। দত্ত ঘাটের কাছে ষন্ডেশ্বর মন্দির চত্বরে আছে সিদ্ধেশ্বরী মাতার মন্দির, বঙ্কুবিহারী মন্দির, যোগাদ্যা দূর্গা মাতার মন্দির ও নাট মন্দির। এছাড়া মন্দির গুলির পিছন দিকে ঘাটের কাছে আছে আরও কয়েকটি মন্দির। মন্দির চত্বর বেশ গোছানো। ষন্ডেশ্বরতলার মন্দির গুলির সময়সূচি ও নিয়মাবলীর একটি ছবিও আমি পোস্ট করলাম।
সময় ৩:৫৩। দুপুর শেষ হয়ে বিকেল শুরু এবং আর কিছুক্ষণ পর‌ই অন্ধকার নেমে আসবে। তাও আমরা বাঁশবেড়িয়ায় গিয়ে ঘুরব এবং ছবি তুলব এই প্রকার এক অসম্ভব আশায় মন্দির চত্বর থেকে বেরিয়ে রিক্সা ধরলাম। রিক্সা চালককে বলে দিলাম বাঁশবেড়িয়া যাবার অটো রিক্সা যেখান থেকে পাব সেখানে নামাবেন। ১০ টাকা ভাড়ায় তিনি আমাদের নামালেন চুঁচুড়া আদালতের কাছের অটো স্ট্যান্ডে। অটো তে উঠে আমরা র‌ওনা দিলাম বাঁশবেড়িয়ার পথে। যাওয়ার পথে যে জায়গাটা পড়ল সেটা উপেক্ষা করে বাঁশবেড়িয়া‌ ঘোরা আমাদের পক্ষে আর সম্ভবপর হল না। চকবাজার এলাকায় অবস্থিত হুগলি ইমামবাড়া। বুকান দা আর আমি ঠিক করলাম এটা দেখেই যাব। যা ভাবা তাই কাজ। ১২ টাকা অটো ভাড়া দিয়ে আমরা নেমে পড়লাম। তারপর ৩-৪ মিনিটের হাঁটা পথে পৌঁছে গেলাম হুগলি ইমামবাড়া। ইমামবাড়া ঢুকতে ১০ টাকা মূল্যের একটি টিকিট কাটতে হয়। ইমামবাড়া ঢুকে বেশি সময় নষ্ট না করে আমি ছবি তুলতে শুরু করলাম। অবশ্য আমার আরও আগে বুকান দা শুরু করে দিয়েছিল ছবি তুলতে। ছবি তোলার মাঝেই আমরা ঢুকলাম মসজিদের ভিতর। ভেতরটা ছিল কোলাহল মুক্ত শান্ত একটা জায়গা। এরকম একটা জায়গা পেলে কেউই বেরিয়ে আসতে চাইবে না। আমাদের ক্ষেত্রেও সেটা হয়েছিল। যাইহোক কিছুক্ষণ কাটিয়ে আমরা বাইরে বেরিয়ে এলাম কারণ মসজিদের দরজা খুব তাড়াতাড়ি বন্ধ হবে। ইমামবাড়ার দু-তলা তে আছে মাদ্রাসা। এর‌ই মধ্যে নির্দেশ এল ইমামবাড়া দেখার সময় শেষ। এবার গেট বন্ধ হবে। আমরা বেরিয়ে পড়লাম। সময় ৫:০৫। অন্ধকার হচ্ছে আস্তে আস্তে । সামনেই ছিল জুবিলী ব্রীজ। সেটির ছবি তোলার আশায় আমরা এগতে থাকলাম। কিন্তু ঘটল আর এক বিপত্তি। আমার সঙ্গী বুকান দা তার ব্যাগ ইমামবাড়া আসার অটো তে রেখে চলে এসেছে। ইমামবাড়া দেখার নেশায় এতটাই মেতে ছিলাম যে ব্যাগ নিতে ভুলে গেছি সে কথা কারুরই মনে ছিল না। আমরা সাথে সাথে টোটো রিক্সা ধরে সেই অটো স্ট্যান্ডের কাছে গেলাম বটে, কিন্তু অটো ওলা বা ব্যাগ দুটোর কোনটাই পেলাম না। শেষপর্যন্ত হতাশ হয়ে ব্যান্ডেল গামী অটোরিকশা তে চড়ে সন্ধ্যা ৬:৪০ নাগাদ ব্যান্ডেল স্টেশন পৌঁছে ৬:৪৫ এ হাওড়া যাবার একটি লোকাল করে আমরা বাড়ি ফিরলাম। অম্বিকা কালনা র মতো এই ছোট্ট সফরটিও অনেক ঘটনার সাক্ষী হয়ে র‌ইল।

প্রথম পর্ব :-
https://photographyakc.blogspot.com/2018/06/chuchura-and-hooghly-imambara.html
ষন্ডেশ্বরতলা মন্দিরে ঢোকার মুখে।
ষন্ডেশ্বরতলা মন্দিরের চূড়া


সিদ্ধেশ্বরী কালীমন্দির

বঙ্কুবিহারী মন্দির


যোগাদ্যা দূর্গা মন্দির

ষন্ডেশ্বরতলা মন্দির

নাট মন্দির

ষন্ডেশ্বরতলা মন্দির গুলির সময়সূচি ও নিয়মাবলী

ষন্ডেশ্বরতলা মন্দির (পিছনের দিক) 

ষন্ডেশ্বরতলা মন্দির (পিছনের দিক)

দত্ত ঘাট

ইমামবাড়া ঢোকার টিকিট।

হুগলি ইমামবাড়া। (Panorama view)

ইমামবাড়া ১

ইমামবাড়া ২

ইমামবাড়া ৩

ইমামবাড়া ৪
Photography AKC

DATE   
 : 18.11.2017
PLACE : CHUCHURA & HOOGHLY IMAMBARA, HOOGHLY, WEST BENGAL, INDIA

চুঁচুড়া ও হুগলি ইমামবাড়া (CHUCHURA AND HOOGHLY IMAMBARA)

চুঁচুড়া ও  হুগলি ইমামবাড়া (CHUCHURA AND HOOGHLY IMAMBARA)

(STORY)
- প্রথম পর্ব -
চুঁচুড়া, হুগলি চকবাজার ও বাশঁবেড়িয়া(অনিবার্য কারণবশত বাঁশবেড়িয়া যাওয়া হয়নি) - আজকের গন্তব্যস্থল এবং নানা ঘটনার সাক্ষী আমার এই ছোট্ট সফরটি। আমার এই সফরের সঙ্গী ছিল আমার অত্যন্ত প্রিয় বুকান চ্যাটার্জী দাদা। আমাদের ঘোরার বর্ণনা দেবার আগে হুগলি জেলার অন্তর্গত এই চুঁচুড়া শহরটি সম্বন্ধে কিছু কথা বলি। পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের হুগলি জেলার একটি শহর ও পৌরসভা এলাকা হল চুঁচুড়া। চুঁচুড়ার থেকে চুঁচড়ো নামটিই চলে কথ্য ভাষায়। এটি হুগলি জেলার সদর দপ্তর। হুগলি ও চুঁচুড়ার ইতিহাস ঘাটলে জানা যায় যে হুগলি শহরটি ছিল পর্তুগিজ দের অধীনে এবং চুঁচুড়া ছিল ওলন্দাজ দের অধীনে। অষ্টাদশ শতকের শেষ দিকে ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানী এই দুই শহর‌ই দখল করে ও পরে ১৮৬৫ সালে এই দুই প্রশাসনিক অঞ্চল কে এক করা হয়।
দুপুর ১২:৫৫, হাওড়া স্টেশন থেকে ব্যান্ডেল লোকালে চড়ে বসলাম আমি আর বুকান দা। এক ঘন্টার কাছাকাছি রাস্তা। ট্রেন ছাড়ল ১ বেজে ৫ মিনিট নাগাদ। বুকান দার সাথে আমি একটু বেশিই বকবক করি। যার ফলে আমরা কখন চুঁচুড়া স্টেশনের কাছে চলে এলাম তার খেয়ালই ছিল না। আমার মোবাইলে থাকা রেলের application টি না জানালে হয়ত আমি জানতেও পারতাম না। যাই হোক, যখন আমরা চুঁচুড়া স্টেশনে নামলাম তখন সময় হয়েছিল ১:৫২। স্টেশনের বাইরে থেকে ১৫ টাকা ভাড়ায় টোটো রিক্সা ধরে সোজা চলে গেলাম আমাদের প্রথম গন্তব্যস্থল আর্মেনিয়ান চার্চ দর্শনে। আগেই বলেছি আমাদের এই ছোট্ট সফরটি ছিল নানা ঘটনায় ভরপুর। এর মধ্যে প্রথম ঘটনাটি হল আর্মেনিয়ান চার্চে ঢুকতে না পারা। স্টেশন থেকে চার্চ টোটো রিক্সা তে ১৫ মিনিট। আমরা চার্চের সামনে এসে দেখি চার্চের প্রধান দরজা ভেতর থেকে তালা দেওয়া। অনেকক্ষণ ডাকাডাকির পর চার্চের সিকিউরিটি গার্ড দরজা খুলল বটে কিন্তু আমরা ঢুকতে পারলাম না। আমাদের জানানো হল যে কলকাতার বড়বাজার থেকে আগে চার্চ ঘোরার অনুমতি পত্র নিয়ে আসতে হবে তারপর‌ই আমরা চার্চ ঘুরতে পারব। বারবার অনুরোধ করা সত্ত্বেও যখন আমাদের ঢুকতে দেওয়া হল না তখন চার্চের বাইরের অংশের‌ই কিছু ছবি তুললাম। চার্চের ইতিহাস ঘাটলে জানতে পারি চুঁচুড়ার শেষ ডাচ্ গভর্নর ড্যানিয়েল অ্যান্টনি ওভারবেক এই চার্চের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করে। ১৮২২ খ্রিষ্টাব্দে সোফিয়া বাগ্ৰামের পৃষ্ঠপোষকতায় এবং তার স্বামীর স্মরণে এই চার্চের সুউচ্চ চূড়াটি নির্মাণ করেন। যা এখনও বর্তমান।
যাইহোক,আমরা এবার বেরিয়ে পড়লাম পরবর্তী গন্তব্যস্থল Dutch Cemetery বা ওলন্দাজ কবরস্থান বা গোরস্থান দেখবার ‌উদ্দ্যেশ্যে। এপ্রসঙ্গে জানিয়ে রাখি চুঁচুড়ায় Dutch Cemetery 'গোরস্থান' নামেই সকলের কাছে অধিক পরিচিত। চার্চ থেকে ২২ মিনিটের হাঁটা পথে চুঁচুড়া শহরের মধ্যস্থল ঘড়ির মোড় পেরিয়ে পৌঁছে গেলাম গোরস্থানে। কলকাতার south park street cemetery তে ঢুকতে যেখানে টিকিট কাটতে হয় সেখানে এই ওলন্দাজ কবরস্থানটিতে ঢুকতে কোনো টিকিট কাটতে হয় না। ভারতীয় পুরাতত্ত্ব জায়গাটিকে অধিগ্ৰহণ করলেও একপ্রকার অনাদরেই আছে এই ঐতিহাসিক স্থানটি। তবে আমার ঘোরা cemetery গুলোর মধ্যে এই dutch cemetery টি অনেক বেশি গোছানো ও সুন্দর। এই ওলন্দাজ কবরস্থানটিতে আছে ৪৫ টি ডাচ্ কবর। এটি ১৮-১৯ শতাব্দীতে খুবই সক্রিয় ছিল। এখানে সবচেয়ে প্রাচীন সমাধিটি স্যার কর্নেলিয়াশ জঙ্গের, যিনি ১৭৪৩ খ্রিষ্টাব্দে চুঁচুড়ায় মারা যান। আমরা এখানে ৩৫ মিনিট এর‌ও বেশি সময় মতো থেকে, ঘুরে ও ছবি তুলে বেরিয়ে পড়লাম আমাদের পরবর্তী গন্তব্যস্থলের উদ্দ্যেশ্যে।
Continue..........

দ্বিতীয় বা শেষ পর্ব :-
https://photographyakc.blogspot.com/2018/06/chuchura-and-hooghly-imambara_29.html
প্রধান দরজার পাশে থাকা আর্মেনিয়ান চার্চের ফলক।
প্রধান ফটক।
আর্মেনিয়ান চার্চ।
সোফিয়া বাগ্ৰামের পৃষ্ঠপোষকতায় নির্মিত চার্চের সুউচ্চ চূড়া।
ঘড়ির মোড়।
চুঁচুড়া শহরের মধ্যস্থল।


ওলন্দাজ কবরস্থান।

অন্দরমহল।
ওলন্দাজ কবরস্থান।

অন্দরমহল।
ওলন্দাজ কবরস্থান।


অন্দরমহল।
ওলন্দাজ কবরস্থান।


অন্দরমহল।
ওলন্দাজ কবরস্থান।


অন্দরমহল।
ওলন্দাজ কবরস্থান।


অন্দরমহল।
ওলন্দাজ কবরস্থান।


অন্দরমহল।
ওলন্দাজ কবরস্থান।


অন্দরমহল।
ওলন্দাজ কবরস্থান।


অন্দরমহল।
ওলন্দাজ কবরস্থান।
১০
অন্দরমহল।
ওলন্দাজ কবরস্থান।
Photography AKC

DATE   
 : 18.11.2017
PLACE : CHUCHURA & HOOGHLY IMAMBARA, HOOGHLY, WEST BENGAL, INDIA

Monday, 18 June 2018

কঙ্কালেশ্বরী কালীমন্দির (KANKALESWARI KALI TEMPLE)

কঙ্কালেশ্বরী কালীমন্দির, কাঞ্চননগর
কঙ্কালেশ্বরী কালীমন্দির বর্ধমান শহরের কাঞ্চননগর নামক স্থানে অবস্থিত একটি বিখ্যাত এবং প্রাচীন কালী মন্দির। এই কাঞ্চননগর বিখ্যাত ছুরি-কাচিঁর জন্য। এছাড়াও ঐতিহাসিক মতে, প্রাচীন গৌড় বঙ্গে, কাঞ্চন নগর ছিল গৌড় অধিপতি শশাঙ্কর প্রধান কার্যালয়।
যাইহোক এবার আশা যাক কঙ্কালেশ্বরী কালী বিগ্ৰহ ও মন্দির সম্পর্কে।
শোনা যায়, ১৯১৩ বা ১৯২৩ খ্রিষ্টাব্দে (মতপার্থক্য আছে) দামোদর নদের বন্যা বর্ধমান শহরের এই অঞ্চলকে পুরো ভাসিয়ে দিয়েছিল। বন্যার জল নামার পর দামোদরের গর্ভ থেকে উদ্ধার হয়েছিল কষ্ঠিপাথরের এই দেবীমূর্তি। কমলানন্দ পরিব্রাজক নামে এক সাধক স্বপ্নাদেশ পেয়ে এই দেবীমূর্তিটি সংগ্রহ করে কাঞ্চননগরের এই মন্দিরে প্রতিষ্ঠা করেন বলে জানা যায়।
এছাড়াও দেবী কঙ্কালেশ্বরী কালীর আবির্ভাব প্রসঙ্গে আরও একটি ঘটনা কথিত আছে।ঘটনাটা এরকম, ১৯১৬ সালে কোন এক বর্ষা দিনে দামোদর নদের বামতীরে খর্গেশ্বর মৌজার বারোদুয়ারি গ্রামে আবির্ভাব হয় অপরূপ এক দেবী মূর্তির। মাটি থেকে উঠে এসেছে এক পাথরের খন্ড। এক পিঠে স্থানীয় বাসীন্দা ও রজক পরিবাররা কাপড় কাচার কাজ করেন। বিস্ময়ে তারা লক্ষ্য করেন অপর পিঠে খোদাই রয়েছে দেবী বিগ্রহ। পরে গ্রামবাসীদের কাছ থেকে বর্ধমানের মহারাজ বিজয়চাঁদ বিষয়টি শুনলেন। মন্দির প্রাঙ্গনের জন্য তিনি এক একর চুয়ান্ন শতক জমিদান করলেন। গড়ে উঠল কঙ্কালেশ্বরী কালীর মন্দির।
আর‌ও শোনা যায়, শ্রীচৈতন্যদেবের দাক্ষিণাত্য ভ্রমণের সঙ্গী ছিলেন গোবিন্দ দাস যার জন্মভিটে এই কাঞ্চননগরেই। তারঁ জন্মভিটের কিছু দূরেই কঙ্কালেশ্বরী কালীমন্দির। এখানে অবস্থিত পঞ্চরত্ন বিষ্ণুমন্দিরেই অধিষ্ঠিত হয়েছে কঙ্কালেশ্বরী কালী।
আরও একটি তথ্য থেকে এই মন্দির সম্পর্কে জানা যায় যে, শান্ত মনোরম পরিবেশ এবং নানান গাছের জটলা ছেড়ে একটু এগোলে এক খেলার মাঠের পাশে ছিল একটি প্রাচীন বিষ্ণু মন্দির। এরকমই এক পরিবেশে ১৯০০ সালে আশ্রম স্হাপন করেছিলেন সাধনমার্গের মানুষ কালীচৈতন্য ভারতী । এই আশ্রম প্রাঙ্গনেই স্থাপিত ছিল একটি নবরত্ন মন্দির(নির্মান কাল ১৪৮৬-১৫৩৩ সাল)। এই নবরত্ম মন্দিরেই প্রতিষ্ঠা করা হয় কঙ্কালেশ্বরী কালী কে।
আশ্চর্যের বিষয় এই যে কঙ্কালেশ্বরী মূর্তিটির বয়স আজ পর্যন্ত নির্ণয় করা সম্ভব হয়নি। মূর্তিটি তিন ফুট চওড়া ও পাঁচ ফুট লম্বা। মূর্তিটি একটি বড় কালো রঙের ব্যাসাল্ট পাথরের ওপরে খোদিত। ঐতিহাসিকদের মতে, এই ধরণের মূর্তি, আর্য্য পূর্ব যুগে নির্মিত হত। মূর্তিটিতে মানুষের কঙ্কাল, স্নায়ুতন্ত্র ইত্যাদি পরিষ্কার ভাবে খোদিত। পুরাতত্ত্ববিদদের মতে, এই মূর্তি বৌদ্ধ বা পাল যুগের। দু হাজার বছরেরও বেশি প্রাচীন। মানব দেহের প্রতিটি শিরা উপশিরা খোদাই করা রয়েছে দেবীমূর্তিতে। মন্দিরের টেরাকোটার কারুকাজও দেখার মতো
কঙ্কালেশ্বরী কালীমন্দির

কঙ্কালেশ্বরী কালীমন্দির

কঙ্কালেশ্বরী কালীমন্দির

কঙ্কালেশ্বরী কালীমন্দির

কঙ্কালেশ্বরী কালীমন্দির

কঙ্কালেশ্বরী কালীমন্দির

কঙ্কালেশ্বরী কালীমূর্তি

সম্ভবতঃ এটিই পঞ্চরত্ন বিষ্ণুমন্দির

বিষ্ণুমন্দির

বিষ্ণুমন্দির

বিষ্ণুমন্দির

বিগ্ৰহ
বিষ্ণুমন্দির 


বিষ্ণুমন্দির

Photography AKC

DATE    : 22.05.2018
PLACE : KANCHANNAGAR, PURBA-BARDHAMAN, WB, INDIA



তথ্য :
১. Elina Datta , News18 Bangla
২. সৌরভ মাজি, sangbadpratidin.in
৩. Shuvro Bhattacharya
৪. Fans of Durga Puja (ফেসবুক পেজ)
৫. Dailyhunt

কার্জন গেট (CURZON GATE)

কার্জন গেট বা বিজয় তোরণ, পূর্ব বর্ধমান
কার্জন গেট বা বিজয় তোরণ পূর্ব বর্ধমান জেলার বর্ধমান শহরে অবস্থিত একটি ঐতিহাসিক স্থাপত্য।
বর্ধমানের মহারাজ বিজয় চাঁদ মহতাবকে "রাজাধিরাজ" উপাধি দিতে তৎকালীন বাংলার ভাইসরয় লর্ড কার্জন ২ এপ্রিল ১৯০৪ এ বর্ধমানে এসেছিলেন। বর্ধমানের মহারাজা বিজয় চাঁদ মহতাব লর্ড কার্জনের আগমন উপলক্ষে বা সম্মানার্থে ১৯০২-০৩ সালে ইতালির রাজধানীর নির্মিত একটি গেটের দ্বারা অনুপ্রাণিত হয়ে লন্ডনের সিয়ন হাউসের আদলে এই তোরণদ্বার নির্মাণ করেন।
এই গেটের পিলারের দুদিকে সিংহের মূর্তি রয়েছে এবং মাথায় রয়েছে তিনটি পরীর মূর্তি। এই তিনটি পরীর মূর্তি প্রথমদিকে এর মাথায় ছিল না। পরে এটা ফ্রান্স থেকে নিয়ে এসে প্রতিস্থাপন করা হয়।
আগে এই গেটের নাম ছিল 'স্টার অফ ইন্ডিয়া' যার নক্সা তৈরি করেন এ.এফ.হিউজ। স্বাধীনতার পর গেটটি বিজয় তোরণ নামে পরিচিত হয়। রাজা বিজয় চন্দের তৈরি বলে এর নামকরণ করা হয় বিজয় তোরণ। যদিও এটি কার্জন গেট নামেই বেশি জনপ্রিয়। ১৯৭৪ সাল থেকে পশ্চিমবঙ্গ সরকারের জনসম্পদ বিভাগ দ্বারা গেটটি সংরক্ষিত।



Photography AKC

DATE : 22.05.2018
PLACE : PURBA-BARDHAMAN, WB, INDIA



তথ্য :
১. অশোক দাসগুপ্তর "আলোকচিত্রে বর্ধমানের ঐতিহ্য"
২. ক্রমবর্ধমান-ফেসবুক পেজ
৩. এবেলা.ইন
৪. বাংলা উইকিপিডিয়া
৫. weekend destination(holidify)

কমলাকান্ত কালীবাড়ি (KAMALAKANTA KALIBARI)

কমলাকান্ত কালীবাড়ি, বোরহাট
পূর্ব বর্ধমান জেলার বোরহাটের কমলাকান্ত কালীবাড়ি অত্যন্ত জনপ্রিয় একটি কালীমন্দির। বলা হয় বর্ধমানের বোরহাট পরিচিত সাধক কমলাকান্তের সাধনার ক্ষেত্র হিসেবে। এই মন্দিরেই নাকি সিদ্ধিলাভ করেছিলেন তিনি। সাধক কমলাকান্ত ওরফে কমলাকান্ত ভট্টাচার্য (১৭৬৯ - ১৮২১ খ্রিঃ) মহোদয়ের জন্ম পূর্ব বর্ধমান জেলার KHANO পঞ্চায়েত এলাকার GALSI - 2 ব্লকের চান্না গ্রামে। জানা যায়, মহারাজ তেজচাঁদ মহতাব তাঁকে বর্ধমানে নিয়ে আসেন এবং তাঁর উচ্ছৃঙ্খল পুত্র প্রতাপচন্দ্রকে শিক্ষা দীক্ষায় উপযুক্ত করে তোলার দায়িত্ব দেন। এরজন্য মহারাজ লাকুড্ডিতে একটি বাড়ি আর কোটালহাটে একটি মন্দির তৈরি করে দেন। এই মন্দিরেই সাধক কমলাকান্ত কালীমূর্তি প্রতিষ্ঠা করে পঞ্চমুণ্ডীর আসনে সাধনা করে সিদ্ধিলাভ করেছিলেন বলে জানা যায়।
মন্দিরের ইতিহাস জানায়, ১২১৬ বঙ্গাব্দে সাধক কমলাকান্ত এখানে মায়ের পুজো শুরু করেছিলেন। এই সাধকের ইচ্ছা ছিল মৃত্যুর পর‌ও যেন তাঁকে মায়ের চরণতলে রেখে দেওয়া হয়। সেই ইচ্ছা অনুযায়ীই তাঁর সমাধির উপরই প্রতিষ্ঠা করা হয় মায়ের মূর্তি ও মন্দির। সমাধির উপরে দেবীর প্রতিষ্ঠা করে মন্দিরের নজির গোটা ভারতে কমই আছে। এছাড়াও শোনা যায় সাধক কমলাকান্ত নাকি জানিয়েছিলেন মৃত্যুর পর তাঁকে যেন গঙ্গায় না দেওয়া হয়। এবং কথিত আছে মা গঙ্গা নিজেই তাঁর কাছে এসেছিলেন। মাটি ফুঁড়ে গঙ্গাজল বেরিয়েছিল। সেই জায়গাটিতে কুয়ো বাঁধানো হয়। দেবীর পুজো এখানে গঙ্গাজল নয়, ওই কুয়োর জলেই হয়। সাধক কমলাকান্ত কালী মাকে মাগুর মাছের ভোগ খাওয়াতেন। সেই রীতি মেনে আজও এই দেবীকে প্রতি অমাবস্যায় জ্যান্ত মাগুরের ভোগ দেওয়া হয়।
সাধক কমলাকান্তকে নিয়ে অনেক ঘটনা মানুষের মুখে শোনা যায়। এই মন্দিরের মা কালী যে জীবন্ত, তার প্রমাণ নাকি বর্ধমানের মহারাজাকে দিয়েছিলেন কমলাকান্ত। বেলকাঁটা দিয়ে মায়ের পা ফুটিয়ে রক্ত বের করে তিনি মহারাজকে দেখিয়েছিলেন এই দেবী জীবন্ত। ঘোর অমানিশায় বর্ধমানের আকাশে মহারাজকে পূর্ণিমার চাঁদ দর্শন করিয়েছিলেন এই সাধক। এরকম আরো অনেক কাহিনী শোনা যায়।
(সাধক কমলাকান্তের জন্ম ও মৃত্যুর সাল সম্পর্কে এক এক জায়গায় এক‌ এক রকম দেওয়া আছে। কিছু জায়গায় দেখা যায় তার জন্মসাল ১৭৭২ থেকে ১৮২০। আবার কিছু জায়গায় বিশেষত উইকিপিডিয়া তে দেওয়া আছে ১৭৬৯ থেকে ১৮২১। আমি এক্ষেত্রে উইকিপিডিয়ার টাই দিলাম। আর দুপুরে মন্দির বন্ধ থাকার দরুন বিশেষ ছবি তোলা যায়নি।)




এটি মূল বিগ্ৰহ নয় 

Photography AKC

DATE    : 22.05.2018
PLACE : BORHAT, PURBA-BARDHAMAN, WB, INDIA




তথ্য :
১. সৌরভ মাজি - সংবাদ প্রতিদিন
৩. Wikipedia

Sevoke & Kalijhora । Top 2 places visit in Siliguri,West Bengal । TRAVEL...

My Fourth YouTube and First Travel Video.....Pls Pls Pls SUBSCRIBE to my channel and hit the BELL icon to stay notified.....Hope you like...

BLOG ITEMS